Friday, May 14, 2021

দেশবাসী আজ ঈদ উদযাপন ............ঈদে বন্ধ চিড়িয়াখানার.............!

 দেশবাসী আজ ঈদ উদযাপন করছে। এমন দিনে রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

ঈদের দিনে ৫ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টির আভাস।

আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে মাইজদি কোর্টে ৫৮ মিলিমিটার।

পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ রোধে দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ দেশের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র। এরই অংশ হিসেবে বন্ধ আছে রাজধানীর মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা। প্রতি বছর ঈদের দিনে চিড়িয়াখানায় মানুষের ঢল নামে। কিন্তু করোনা সংক্রমণের কারণে গত বছরের মতো এবার ঈদেও বন্ধ চিড়িয়াখানা। তবে বিষয়টি জানা না থাকায় সেখানে আজ অনেক মানুষ ভিড় করছেন। গেট বন্ধ পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন শত শত মানুষ।

শুক্রবার (১৪ মে) সকাল ৮টার পর থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দেখা যায়, চিড়িয়াখানায় ঘুরতে এসে বন্ধ দেখে অনেকেই এসে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।











Wednesday, May 12, 2021

নানা উদ্যোগের পরও ঠেকানো যাচ্ছে না ঘরে ফেরা...........!

 করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে এবার ঈদুল ফিতরের ছুটিতে সরকারি-বেসরকারি চাকুরেদের কর্মস্থলে থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু গত কিছুদিন ধরে ঘরমুখো মানুষের ঢল থামানো যাচ্ছে না। এমনকি ফেরিতে হুড়োহুড়িতে মারা যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে।

দূরপাল্লার বাস, ট্রেন ও লঞ্চ বন্ধ থাকলেও সরকারের দুর্বল তদারকি ও নির্দেশনার অস্পষ্টতায় মানুষকে কর্মস্থলে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তাই লকডাউনসহ নানা পদক্ষেপ নেয়া হলেও আগামী দিনগুলোতে করোনা সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে বৃহস্পতি বা শুক্রবার (১৩ বা ১৪ মে) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। যদিও করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধ (লকডাউন) চলছে এখন। লকডাউন বহাল থাকবে আগামী ১৬ মে পর্যন্ত।

গত ৫ মে সর্বশেষ বিধিনিষেধ বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঈদের ছুটিতে আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ কর্মস্থলে (অধিক্ষেত্রে) অবস্থান করবেন।

একই সঙ্গে মানুষের চলাচল ঠেকাতে আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। বন্ধ আছে ট্রেন ও লঞ্চ। মানুষকে কর্মস্থলে রাখতে ঈদের ছুটি কমিয়ে ২৯ রমজানেও অফিস খোলা রেখেছে সরকার।

সরকারের পক্ষ থেকে ঈদে তিনদিনের বেশি ছুটি দেয়ার নির্দেশনা থাকলেও ছুটি বাড়াতে আন্দোলনে নামেন পোশাকশ্রমিকরা। আন্দোলনের মুখে ঈদের ছুটি বাড়িয়ে দিচ্ছেন কারখানার মালিকরা। জানা গেছে, অধিকাংশ পোশাক কারখানাই ৫ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত ছুটি দিয়েছে।

গত কিছুদিন থেকেই ঢাকা ছাড়তে শুরু করে মানুষ। জেলার মধ্যে চলাচল করা বাসের মাধ্যমে মানুষ চলে যাচ্ছেন ফেরিঘাটগুলোতে কিংবা জেলার প্রান্তে। ফেরি পার হয়ে কিংবা গাড়ি পাল্টে পৌঁছে যাচ্ছেন গন্তব্যে।

কিন্তু ব্যক্তিগত গাড়িতে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে কোনো কিছু বলা নেই সরকারের প্রজ্ঞাপনে। তাই অনেকে মাইক্রোবাস ভাড়া করে বা প্রাইভেটকার নিয়ে শহর ছেড়ে গ্রামে যাচ্ছেন ঈদ উদযাপনের জন্য। চালু আছে বিমান যোগাযোগও। লুকিয়ে আন্তঃজেলা বাস চালাচলেরও খবর আসছে গণমাধ্যমে। ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ পণ্যবাহী বিভিন্ন গাড়িতেও রাজধানী ছাড়ছেন অনেকে।

মানুষের চলাচল ঠেকাতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ও শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হলেও পরে মানুষের চাপে সেই সিদ্ধান্তে স্থির থাকতে পারেনি সরকার।

বুধবার (১২ মে) প্রচণ্ড ভিড়ে ফেরিতে করে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে মাদারীপুরের বাংলাবাজারে যাওয়ার পথে হুড়োহুড়িতে ছয়জন মারা গেছেন। এ ঘটনায় অসুস্থ হয়েছেন অন্তত অর্ধশতাধিক।

এ বিষয়ে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহিদুল্লা জাগো নিউজকে বলেন, ‘মানুষকে কর্মস্থলে আটকে রাখা যাচ্ছে না। মানুষ যেভাবে গাদাগাদি, হুড়োহুড়ি করে যাচ্ছে, তাতে তো স্বাস্থ্যবিধি মানা হলো না। কারো কারো মুখে মাস্ক নেই। এর মধ্যে একজনের সংক্রমণ থাকলে তিনি তা ছড়াবেন। যারা আক্রান্ত হবেন তারা আবার অন্যদের সংক্রমিত করবেন।’

তিনি বলেন, ‘তাই আমাদের ধারণা হচ্ছে, এই পরিস্থিতির পর চলতি মাসের শেষের দিকে বা আগামী মাসের শুরুর দিকে করোনা সংক্রমণটা আবার বাড়তে পারে।’

কারিগরি কমিটির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘শহর ছেড়ে গ্রামে ঈদ করতে যাওয়া ঠেকাতে সরকারের তদারকি ব্যবস্থা দুর্বল। বিভিন্ন বিধিনিষেধ থাকলেও তা মানানোর পর্যাপ্ত লোকবল নেই সরকারের। আর গাড়ি চলাচলের বিষয়ে নির্দেশনাটাও আরও স্পষ্ট হওয়ার দরকার ছিল। দূরপাল্লায় চলাচলের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেয়া যেত।’

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে, যে যেখানে কাজ করেন সেখানেই থাকবেন। কেউ স্টেশন লিভ করতে পারবেন না। যারা যাচ্ছেন, তারা সবাই চাকরি করেন তা নয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ৮০ শতাংশের বেশি মানুষকে মাস্ক পরাতে সফল হয়েছি। আমরা মানুষকে যেখানে আছে সেখানে রাখতেও সক্ষম হয়েছি। তবে কিছু মানুষকে কখনই কোনো কিছু মানানো সম্ভব নয়। তারা অবুঝ।’

‘যারা যাচ্ছেন বুঝতে পারছেন না যে, তিনি তার মায়ের জন্য করোনা নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি তার প্রিয় মাকে হুমকির মুখে ফেলে দিতে পারেন।’

শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে ছুটি বাড়ছে- এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মালিকরাও ছুটি বাড়াতে চান। আমরা মানুষের কল্যাণ চাচ্ছি। একটা ওয়ার লাইফ সিচুয়েশন বিরাজ করছে এখন। ভারতের অবস্থাটা দেখেন। নদীতে লাশ ভেসে আসছে। সন্তান তার পিতাকে দাফন করতে পারেনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই এই সিচুয়েশনে সকলে আমাদের সহযোগিতা করুক। কিন্তু কিছু সংখ্যক লোক আছে কখনও কিছু শুনবেই না।’

ব্যক্তিগত গাড়িতে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যাওয়ার বাধা নেই- এ বিষয়ে ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘নেগেটিভ মার্কেটিং বলে একটি বিষয় আছে। জেলার মধ্যে গাড়ি ছেড়ে দেয়ার পর মানুষের চলাচল বেড়ে গেল। আর দূর পাল্লার গণপরিবহন ছেড়ে দিলে তখন কী হতো? এখন হয়তো এভাবে কিছু যাচ্ছে।’

‘ব্যক্তিগত গাড়িতে যাওয়া তো ব্যয় বহুল। আমরা তো মানুষকে স্থানান্তরে নিরুৎসাহিত করছি। নেগেটিভ মার্কেটিং করে আমরা বলতে চাচ্ছি, আপনি কর্মস্থলেই থাকুন, এটাই আপনার জন্য ভালো।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগে ট্রেনগুলো ভরে, লঞ্চ ভরে, দূর পাল্লার বাসগুলো ভরে মানুষ গ্রামে যেতেন, এবার সেটা হচ্ছে না। আমি বলব ৯০ শতাংশ মানুষ আমাদের আহ্বানে সারা দিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি ঈদের সময় স্টেশন লিভ করব না। আমি ঢাকাতেই আছি। আমি আমার এলাকার জনগণকে বলেছি, যে যার জায়গায় থাকেন। যে কোনো কাজে ডিজিটালি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।’




Friday, May 7, 2021

ঈদের আগে দূরপাল্লার পরিবহন চালানোর ঘোষণা ... !

 ঈদের আগে গণ ও পণ্যপরিবহন চালু করে দেওয়াসহ পূর্ব ঘোষিত তিন দফা দাবি পূরণ করা না হলে শ্রমিকদের নিয়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন।

মঙ্গলবার ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী এ হুঁশিয়ারি দেন। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূর পাল্লার গণপরিবহন ও পণ্যপরিবহন চলাচল ঘোষণা করাসহ তিন দফা দাবি আদায়ে আজ সারাদেশের জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেয় সংগঠনটি।

এর আগে গত ৩০ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে পরিবহন চালু করে দেওয়ার জন্য ফেডারেশনের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হচ্ছে- স্বাস্থ্যবিধি মেনে মোট আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন ও পণ্যপরিবহন চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে।

সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের আর্থিক অনুদান ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করতে হবে। সারাদেশে বাস ও ট্রাক টার্মিনালগুলোতে পরিবহন শ্রমিকদের জন্য ১০ টাকায় ওএমএস’র চাল বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে।

এসব দাবি বাস্তবায়নে গত ২ মে রবিবার সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও মঙ্গলবার (৪ মে) সারাদেশে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত শ্রমিকদের এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছাদিকুর রহমান হিরু। এতে সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বক্তব্য দেন।





Sunday, April 11, 2021

লকডাউনে শিল্প কারখানা খোলা .........!

 করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউন শুরু হলেও শিল্প কারখানা খোলা থাকতে পারে বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্য বিধি মেনে শিল্প কারখানা খোলা রাখার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে চিন্তাভাবনা করছে সরকার।

রবিবার ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক হয়।

বৈঠক শেষে বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম ইত্তেফাককে বলেন, আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সম্পূর্ণ লকডাউনের ঘোষণা আসলেও শিল্প কারখানা চলবে। মন্ত্রীপরিষদ সচিব আমাদের নিশ্চিত করেছেন। তবে লকডাউনে শিল্প কারখানা ছাড়া সব বন্ধ থাকবে। মানুষের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ব্যাংক বন্ধ থাকলে আমদানি রফতানিতে সমস্যা হবে। এ বিষয়েও পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব।

এর আগে রবিবার দুপুরে লকডাউনে পোশাক ও বস্ত্র কারখানা খোলা রাখার দাবি জানায় পোশাক খাতের চার সংগঠন। পোশাক কারখানা বন্ধ হলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে বলে দাবি করেছেন তারা। কারখানা বন্ধ হলে শ্রমিকরা গ্রামে ফিরতে গিয়ে উল্টো সারাদেশে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করেন তারা।




Wednesday, March 24, 2021

তানোরে আদিবাসী যুবতীকে শ্লীলতাহানি......!

 রাজশাহীর তানোরের দেউল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (অবঃ) মোবারক আলীর বিরুদ্ধে আদিবাসী যুবতীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠেছে। তানোর পৌর এলাকার বেলপুকুর (তালন্দ উপরপাড়া) গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃস্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়, শিক্ষকের দৃস্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করে আদিবাসী পল্লীর বাসিন্দারা বিক্ষুব্ধ  প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভিকটিমের স্বজনরা বলেন, এই বিষয়ে কোনো মামলা বা জানাজানি  হলে তাদের এলাকাছাড়া করা হবে বলে প্রতিনিয়ত তাদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র জানায়, গত ১ মার্চ  (সোমবার)  দুপুরে ওই আদিবাসী যুবতী মোবারক আলীর বাড়ির পাশের পুকুর পাড়ে পাতা কুড়াতে যায়। এ সময় মোবারক ওই যুবতীকে কু-প্রস্তাব দেয় তবে সাঁড়া না পেয়ে  হাতধরে টানাটানি ও শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে তার শ্লীলতাহানী ঘটায়।

এ ঘটনায় ওই যুবতী থানায় অভিযোগ করতে চাইলে তার পরিবারকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে অভিযোগ করা থেকে বিরত রাখা হয় বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রামবাসী বলেন, গত ৫ মার্চ শুক্রবার তানোর পৌর মেয়র ইমরুল হকের বাড়িতে বসে গ্রাম্যসালিসে বড় অঙ্কের টাকা জরিমানা করে ঘটনা ধাঁমাচাপা দেয়া হয়েছে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানার অফিসার ইন্চার্জ ওসি রাকিবুল হাসান বলেন, এবিষয়ে তিনি অবগত নন তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, ইভটিজিং, শ্লীলতাহানী, ধর্ষন বা ধর্ষণের চেস্টা ইত্যাদি আপোষ যোগ্য অপরাধ নয়।

এবিষয়ে পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাছির মন্ডল বলেন, তার কাছে তারা অভিযোগ করেছিল, তবে পরে তাকে না জানিয়ে গোপণে মেয়রের বাড়িতে বসে আপোষ করেছে। এবিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও মেয়র ইমরুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।




Tuesday, March 16, 2021

তানোরে আলুর জমিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আছড়ে পড়ে প্রশিক্ষণ বিমান.............!

 রাজশাহীর তানোর উপজেলায় একটি প্রশিক্ষণ বিমান আছড়ে পড়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে তানোরের লালপুর ও আড়াদীঘি গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে আলুর ক্ষেতে বিমানটি আছড়ে পড়ে।

তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। বিমানে একজন পাইলট এবং একজন প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন। তারা দুজনেই সুস্থ আছেন। চেসনা-১৫২ মডেলের এই বিমানটি বাংলাদেশ ফ্লাইং ক্লাবের।

রাজশাহীর হযরত শাহমখদুম (রহ.) বিমানবন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশ ফ্লাইং ক্লাব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালায়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে এই বিমানবন্দর থেকেই বিমানটি ওড়ে। তানোরে গিয়ে সেটি আলুক্ষেতে আছড়ে পড়ে। বিমানটি সেখানে উপুড় হয়ে পড়ে আছে।

বাংলাদেশ ফ্লাইং ক্লাবের রাজশাহীর প্রশিক্ষক ক্যাপ্টেন মাহফুজুর রহমান বিমানে ছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন ক্যাডেট নাহিদ এরশাদ। ক্যাপ্টেন মাহফুজুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, আমরা সুস্থ আছি। আমরা ঘটনাস্থলেই আছি। কীভাবে, কেন দুর্ঘটনা ঘটেছে সেসব বিষয়ে পরে কথা বলা যাবে।

এর আগে গত ৯ জানুয়ারি রাজশাহী বিমানবন্দরেই ল্যান্ড করার সময় বাংলাদেশ ফ্লাইং ক্লাবের একটি প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় পড়ে। বিমানটির চাকা ভেঙে পড়ে। তবে কেউ হতাহত হননি। ২০১৫ সালেও এই সংস্থার একটি বিমান রাজশাহীর বিমানবন্দরে আছড়ে পড়ে। এতে নারী প্রশিক্ষণার্থী নিহত হন।



Thursday, March 11, 2021

খেজুর গাছের মাথায় নামাজ পড়ে হৈচৈ ফেললেন যুবক....!

 রাজশাহীর তানোরে খেজুর গাছের মাথায় উঠে নামাজ পড়ে হৈচৈ ফেললেন আব্দুর রহিম (২৮) নামের এক যুবক।

সোমবার (০১ মার্চ) বিকালে তানোর পৌর এলাকার কুঠিপাড়া গ্রামে একটি ৩০ ফুট উঁচু খেজুর গাছের মাথায় নামাজ পড়ার এমন দৃশ্যে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

রহিম বর্তমানে মোহনপুর উপজেলার মৌগাছি এলাকায় বসবাস করছেন।

যুবকের নামাজ পড়ার এমন দৃশ্য দেখতে শত শত লোক ভিড় জমায়। নামাজ পড়ার পর বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে শহীদদের সম্মানও জানান তিনি। এসময় উপস্থিত জনতাও করতালি দিয়ে তাকে সম্মান জানান। সবমিলিয়ে আধাঘণ্টা খেজুর গাছের উপরে তিনি বিভিন্ন খেলা দেখান।

কুঠিপাড়া গ্রামের সাগর আলী রুবেল, হাজী জালাল উদ্দীনসহ কয়েকজন বলেন, ‘খেজুর গাছে অনেক কাটা আছে কিন্তু আব্দুর রহিমের গায়ে কোনো কাটা লেগে রক্ত বের হয়নি। গাছের উপর নামাজ পড়াসহ বিভিন্ন খেলা দেখিয়ে সুস্থ অবস্থায় খেজুর গাছ থেকে নামেন তিনি’।

যুবক আব্দুর রহিম বলেন, ‘আল্লাহ ওপর ভরসা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খেজুর গাছের উপর খেলা দেখাই। আমার খেলা দেখে কেউ চাল, কেউ টাকা দেয়। যে যা দেন তা দিয়ে আমার সংসার চলে। আমার জন্মস্থান বগুড়ায়। বর্তমানে মোহনপুর উপজেলার মৌগাছি এলাকায় বসবাস করছি’।



Thursday, February 18, 2021

রাজশাহীর তানোরে ‘বিয়ের প্রলোভনে’ তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে

 কনস্টেবল রাজ কুমার পাল তানোর পৌরসভার হাবিবনগর পালপাড়া গ্রামের মনোরঞ্জন পালের ছেলে। তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ লাইনে কর্মরত।

ওসি রেজাউল বলেন, “রাজ কুমার নিজেকে মুসলিম পরিবারের সন্তান ও রাজ নামে পরিচয় দিয়ে দেড় বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক জড়ান তানোরের এক মুসলিম তরুণীর সঙ্গে। 

“রাজ গত শনিবার ছুটিতে এসে তরুণীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনার পর তরুণী কনস্টেবলের প্রকৃত পরিচয় জানতে পারলে তিনি পালিয়ে যান।”

এ নিয়ে রোববার গভীররাতে ওই মেয়েটি কনস্টেবল রাজের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



Thursday, December 24, 2020

বড়দিনের শুভেচ্ছা...উকিল, তানোর , রাজশাহী।

 “❦~শুভ বড়দিন~❦

''এই শীতের সকালে তোমার
  ব​ড়দিনটা ভালো কাটুক।”

“তুমি আমার বন্ধু যীশু,
তুমি মম সাথী,
অন্ধকারে তুমি যে মোর
পথ দেখানো বাতি।
শুভ বড়দিন
“❦~Merry Christmas~❦
বিশ্বপিতা তুমি হে প্রভু,
আমাদের প্রার্থনা এই শুধু,
তােমারি করুণা হতে বঞ্চিত না হই কভু।”
“আমার তরফ থেকে
তােমাকে ও তােমার পরিবারের
সকলকে ২৫-শে ডিসেম্বর
শুভ বড়দিনের শুভেচ্ছা রইলো।”
ক্রিসমাস হলো এমন
একটা যাদুর কাঠি
যার পরশে পৃথিবীর সকল
মানুষকে ছুয়ে যায়
আর দেখায় সুখ,
সান্তি ও সমৃদ্ধির পথ।”
“বিপদ তোমাকে এড়িয়ে যাক,
বিধাতা তোমায় রক্ষা করুক
সর্গ তোমার অপেক্ষায় থাকুক,
ভালোবাসা তোমায় ছুয়ে যাক
এই বড়দিনে।”
“প্রত্যাশা করি সুন্দর একটি দিনের,
যে দিনটা শুধু তোমার হবে
প্রত্যাশা করি সুন্দর একটি সময়ের,
যেটা তোমার কথাই বলবে।”
“শত্রু তোমার বন্ধু হোক,
বন্ধু যে, সে আরো কাছে আসুক
বিপদে ধৈর্য ধরার শক্তি
যেন প্রভু তোমাকে দেয়,
সব বাধা পিছনে ফেলে
যেন সুন্দর জীবন গড়তে
পারো সেই প্রত্যাশা করি।”
“সুন্দর একটা মাসের নাম ডিসেম্বর
সব মুহূর্ত কাটুক তোমার অনাড়ম্বর
বড়ো দিনের আনন্দে ধুয়ে যাক সব কষ্ট
মধুর হোক তোমার প্রতিটি মুহূর্ত
Happy Merry Christmas

এই বড়দিনটি তােমার জীবনে
নিয়ে আসুক
অনেক অনেক শুভেচ্ছা,
তুমি ও তােমার পরিবার
সদা যেন সুখে থাকো।”









Saturday, November 21, 2020

মৃত নারীদের ধর্ষণ করত ২০ বছরের এই তরুণ..!

 মুন্না ভগত .(২০)

 মামার সঙ্গে সহযোগী হিসেবে মর্গে কাজ করতেন তিনি। কিন্তু জঘন্যতম এক অপরাধের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ—মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করত সে।

সিআইডি কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন স্থান থেকে যেসব লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেওয়া হতো, সেসব লাশের মধ্য থেকে মৃত নারীদের ধর্ষণ করতেন মুন্না।

সিআইডি ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া মুন্না ভগত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম জতন কুমার লালের সহযোগী হিসেবে কাজ করত। দুই-তিন বছর ধরে তিনি মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল। সম্প্রতি এরকম একটি অভিযোগ পেয়ে মুন্নার বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সিআইডি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না মৃত নারীদের ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

সিআইডির এক কর্মকর্তা জানান, মৃত নারীদের ধর্ষণ করা পৃথিবীর জঘন্যতম একটি কাজ। সুস্থ ও স্বাভাবিক কেউ এমন জঘন্যতম কাজ করতে পারে না। গ্রেপ্তার ওই তরুণ মুন্না বিকৃত মানসিকতার। তা না হলে এমন কাজ তার করার কথা নয়।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে দায়িত্বরত ডোম ও মুন্নার মামা জতন কুমার লাল জানান, মুন্না গত দুই/তিন বছর ধরে তার সহযোগী হিসেবে মর্গে কাজ করত। তার বাবার নাম দুলাল ভগত। গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাজারে। সে আরও দুই/তিন জনের সঙ্গে মর্গের পাশে একটি কক্ষেই রাতে থাকত।

তিনি আরও জানান, মুন্নাকে হঠাৎ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তার মোবাইল নম্বরও বন্ধ। এ কারণে তারা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নম্বর- ১২৩৬) দায়ের করেছেন।

বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে ও গোপনে তথ্য সংগ্রহ করলে সিআইডির অনুসন্ধানে ডোম মুন্না ভগত এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণ পায়। বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক গা ঢাকা দেয় মুন্না। সিআইডির কাছে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয় এবং এরই প্রেক্ষিতে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা করে সিআইডি। মামলা নং-৪০। তদন্তকারী কর্মকর্তার নেতৃত্ব্ একটি দল ওই রাতেই ১০টার দিকে তাকে গ্রেফতার করে।




Friday, November 13, 2020

ভাইরাল হওয়া সেই খুকির পাশে তরুণরা..........!

 রাজশাহী শহরের একমাত্র নারী পত্রিকা বিক্রেতা তিনি। ৪০ বছর ধরে পত্রিকা বিক্রি জীবিকা নির্বাহ করছেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ১১ বছর আগের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সকাল ৬টায় ঘুম থেকে উঠে পত্রিকার এজেন্ট ও স্থানীয় পত্রিকার সার্কুলেশন থেকে পত্রিকা নিয়ে বেরিয়ে পড়েন নগরীতে। খুকির হাতের পত্রিকা পড়ে তারা, খুকির জীবনের গল্প পড়া হয়ে ওঠে না। রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে ৪০ বছর ধরে পত্রিকা বিক্রি করেন দিল আফরোজ খুকি। খুকিরও গল্প আছে। সে গল্প জানা হয়ে ওঠে না কারো, খুকির ভাইরাল ভিডিও দেখে অনেকেই কাঁদেন, ফেসবুকে শেয়ার দেন কিংবা জানতে চান খুকির বর্তমান অবস্থা।

খুকির জীবনে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে বিয়ের মাত্র এক মাসের মাথায়। স্বামী মারা যান, বিধবা হন এক মাসের মাথায়। উত্তরাঞ্চলের শহরে বিয়ে হলেও সামাজিক রীতি তো আর সামাজিকতা ভেঙে বেরিয়ে পড়েনি। তবুও সেই শহরে খুকি উঠে দাঁড়ালেন। তবে উঠে দাঁড়ানোর গল্পটা সহজ নয়। নিজ পরিবার থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। একসময় ঠিকানা হয় পথ। এর মাঝে হয়তো অনেক ঘটনা ঘটে গেছে। শোনা যায়, বাবা-মা, ভাই-বোনের অবহেলিত সেই নারী ঘর-বাড়ি ছাড়া রাস্তায় পড়েছিলেন। তবুও ভিক্ষের পথ বেছে নেননি। একদিন রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া মানিব্যাগ উপযুক্ত ব্যক্তিকে ফিরিয়ে দেওয়ার সম্মানি হিসেবে ১৫০ টাকা পান। এই ১৫০ টাকা দিয়ে শুরু করেন নিজের উঠে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা। শুরু করলেন পত্রিকা বিক্রি।

জানা গেছে, কিশোরী বয়সে ৭০ বছরের এক বৃদ্ধের সঙ্গে খুকির বিয়ে হয়েছিল। মাস যেতে না যেতেই স্বামী মারা যান। ১৯৮০ সালে স্বামীর মৃত্যুর পর পরিবার, আত্মীয়-স্বজন তাকে ঘরছাড়া করেন। ভাইদের আপত্তিতে বাবার বাড়িতে তার জায়গা হয়নি। এরপর থেকেই কিছুটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন তিনি।

খবরের কাগজ বিক্রি করে একসময় প্রতিদিন ৩০০ টাকা আয় করতেন। এই আয় থেকে নিজের জন্য ব্যয় করতেন মাত্র ৪০ টাকা। হজে যাওয়ার তীব্র বাসনায় ১০০ টাকা ব্যাংকে জমা করতেন। আর ১৬০ টাকাই ব্যয় করতেন মানুষের সেবামূলক কাজে। এর মধ্যে ১০০ টাকা দিতেন এতিমখানায়, ৫০ টাকা দিতেন মসজিদ-মন্দিরে আর ১০ টাকা দিতেন ফকির-মিসকিনকে।

এতদিনে ব্যাংকে জমা হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা। সেই জমানো অর্থ আর পৈতৃকভাবে পাওয়া কিছু সম্পত্তিই তার জীবনের শেষ সম্বল। যা দিয়ে যেতে চান কোনো স্কুলের নামে। সেই দানের টাকা থেকে গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে বৃত্তি। মৃত্যুর পর তার লাশটা যেন জন্ম শহর কুষ্টিয়ায় দাফন করা হয়, সে ইচ্ছাই তিনি জানিয়েছেন। খুকির সময়টা এখন ভালো কাটছে না। কাটছে নানা দুঃখ-কষ্টে। প্রায় ৪০ বছর ধরে পত্রিকা বিক্রির সঙ্গে জড়িত খুকি।

প্রতিদিন সকালে তার শিরোইল মহল্লার বাসা থেকে বের হয়ে হেঁটে রাজশাহী মহানগরীর রেলগেট মার্কেটে পত্রিকার এজেন্টদের কাছ থেকে পত্রিকা কেনেন। তারপর সেখান থেকে হেঁটে হেঁটে রাজশাহীর রেলস্টেশন, আরডিএ মার্কেট, সাহেববাজার, সাগরপাড়া, শিরোইল বাস টার্মিনাল, আলুপট্টি ও নিউমার্কেট এলাকায় পত্রিকা বিক্রি করেন। এসব স্থানে তার কিছু নিয়মিত গ্রাহক আছে। এ ছাড়াও হেঁটে হেঁটে পত্রিকা বিক্রি করেন, কারো কাছ থেকে বাড়তি পয়সা পেলেও নেন না।

জানা গেছে, কিশোরী বয়সে ৭০ বছরের এক বৃদ্ধের সঙ্গে খুকির বিয়ে হয়েছিল। মাস যেতে না যেতেই স্বামী মারা যান। ১৯৮০ সালে স্বামীর মৃত্যুর পর পরিবার, আত্মীয়-স্বজন তাকে ঘরছাড়া করেন। ভাইদের আপত্তিতে বাবার বাড়িতে তার জায়গা হয়নি। এরপর থেকেই কিছুটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন তিনি।

খবরের কাগজ বিক্রি করে একসময় প্রতিদিন ৩০০ টাকা আয় করতেন। এই আয় থেকে নিজের জন্য ব্যয় করতেন মাত্র ৪০ টাকা। হজে যাওয়ার তীব্র বাসনায় ১০০ টাকা ব্যাংকে জমা করতেন। আর ১৬০ টাকাই ব্যয় করতেন মানুষের সেবামূলক কাজে। এর মধ্যে ১০০ টাকা দিতেন এতিমখানায়, ৫০ টাকা দিতেন মসজিদ-মন্দিরে আর ১০ টাকা দিতেন ফকির-মিসকিনকে।

এতদিনে ব্যাংকে জমা হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা। সেই জমানো অর্থ আর পৈতৃকভাবে পাওয়া কিছু সম্পত্তিই তার জীবনের শেষ সম্বল। যা দিয়ে যেতে চান কোনো স্কুলের নামে। সেই দানের টাকা থেকে গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে বৃত্তি। মৃত্যুর পর তার লাশটা যেন জন্ম শহর কুষ্টিয়ায় দাফন করা হয়, সে ইচ্ছাই তিনি জানিয়েছেন। খুকির সময়টা এখন ভালো কাটছে না। কাটছে নানা দুঃখ-কষ্টে। প্রায় ৪০ বছর ধরে পত্রিকা বিক্রির সঙ্গে জড়িত খুকি।

প্রতিদিন সকালে তার শিরোইল মহল্লার বাসা থেকে বের হয়ে হেঁটে রাজশাহী মহানগরীর রেলগেট মার্কেটে পত্রিকার এজেন্টদের কাছ থেকে পত্রিকা কেনেন। তারপর সেখান থেকে হেঁটে হেঁটে রাজশাহীর রেলস্টেশন, আরডিএ মার্কেট, সাহেববাজার, সাগরপাড়া, শিরোইল বাস টার্মিনাল, আলুপট্টি ও নিউমার্কেট এলাকায় পত্রিকা বিক্রি করেন। এসব স্থানে তার কিছু নিয়মিত গ্রাহক আছে। এ ছাড়াও হেঁটে হেঁটে পত্রিকা বিক্রি করেন, কারো কাছ থেকে বাড়তি পয়সা পেলেও নেন না।

খুকির নানামুখী সমস্যা থাকলেও থাকেন নিজের বাড়িতে। বড় বোনের বাসা খুকির বাড়ির পাশেই। বড় বোনের ছেলে শামস-উর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘খালাকে আমরা পত্রিকা বিক্রি করতে নিষেধ করেছি। তিনি আমাদের কথা শোনেন না। তিনি পত্রিকা বিক্রি করে একা একাই চলতে চান।’

খুকি সম্পর্কে প্রতিবেশীরা বলছেন, তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। নিঃসন্তান নারীর বিয়ে হয় কিশোরী বয়সে। এক মাসের মাথায় স্বামী মারা যায়। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে তিনি একগুয়ে স্বভাবের হয়ে ওঠেন। বাবার কাছ থেকে পাওয়া জমিতে বাড়ি তৈরি করে একাই থাকেন। কারও কাছ থেকে কোনো সহায়তা নেন না। পত্রিকা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

অথচ ১১ বছর আগের ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে খুকির শেষদিকের কথাগুলো ছিল, ‘কেউ আমাকে এক পয়সার হেল্প করেনি। কী হবে এই সাক্ষাৎকার নিয়ে? কেউ তো আমাকে সাহায্য করবে না।’

খুকি যাদের কাছ থেকে পত্রিকা নেন; তাদেরই একজন লিটন ইসলাম বাবু। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, খুকি আপা আমার কাছ থেকে ১৩ বছর ধরে পত্রিকা নেন। কখনোই টাকা বাকি রাখেন না। টাকা-পয়সার বিষয়ে খুকি আপা সচেতন। শোধ করে তারপরে পত্রিকা নেন। তবে খুকির বর্তমান অবস্থা যে শোচনীয়, তা সার্কুলেশন ম্যানেজার বাবুর কথাতেই বোঝা গেল। কেননা আগে ১৫০ কপি পত্রিকা কিনলেও এখন কেনেন ৩০-৪০ কপি। অর্থাৎ খুকির আয়ের উৎস তলানিতে ঠেকেছে, সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীতে খুকির সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন সেচ্ছ্বাসসেবী সংগঠন ‘অরেঞ্জ আর্মি বিডি’র কয়েকজন সদস্য। তারা খুকিকে একটি শীতের চাদর দিয়েছেন। এ ছাড়াও প্রাথমিক সাপোর্ট প্রয়োজন বলে জানান সংগঠনের সদস্য কামরুল তিহান। অরেঞ্জ আর্মি বিডি সংগঠনের পক্ষ থেকে খুকিকে হজে পাঠানো হবেও বলে তাদের পেজে জানানো হয়েছে।




দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছিল .... ফোরকান

  অনলাইনে বিভিন্ন সিক্রেট অ্যাপ ব্যবহার করে বোমা তৈরির প্রশিক্ষণ দিতেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জাহিদ হাসান ওরফে রাজু ওরফে ইসমাঈল ...