Thursday, February 18, 2021

রাজশাহীর তানোরে ‘বিয়ের প্রলোভনে’ তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে

 কনস্টেবল রাজ কুমার পাল তানোর পৌরসভার হাবিবনগর পালপাড়া গ্রামের মনোরঞ্জন পালের ছেলে। তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ লাইনে কর্মরত।

ওসি রেজাউল বলেন, “রাজ কুমার নিজেকে মুসলিম পরিবারের সন্তান ও রাজ নামে পরিচয় দিয়ে দেড় বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক জড়ান তানোরের এক মুসলিম তরুণীর সঙ্গে। 

“রাজ গত শনিবার ছুটিতে এসে তরুণীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনার পর তরুণী কনস্টেবলের প্রকৃত পরিচয় জানতে পারলে তিনি পালিয়ে যান।”

এ নিয়ে রোববার গভীররাতে ওই মেয়েটি কনস্টেবল রাজের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



Thursday, December 24, 2020

বড়দিনের শুভেচ্ছা...উকিল, তানোর , রাজশাহী।

 “❦~শুভ বড়দিন~❦

''এই শীতের সকালে তোমার
  ব​ড়দিনটা ভালো কাটুক।”

“তুমি আমার বন্ধু যীশু,
তুমি মম সাথী,
অন্ধকারে তুমি যে মোর
পথ দেখানো বাতি।
শুভ বড়দিন
“❦~Merry Christmas~❦
বিশ্বপিতা তুমি হে প্রভু,
আমাদের প্রার্থনা এই শুধু,
তােমারি করুণা হতে বঞ্চিত না হই কভু।”
“আমার তরফ থেকে
তােমাকে ও তােমার পরিবারের
সকলকে ২৫-শে ডিসেম্বর
শুভ বড়দিনের শুভেচ্ছা রইলো।”
ক্রিসমাস হলো এমন
একটা যাদুর কাঠি
যার পরশে পৃথিবীর সকল
মানুষকে ছুয়ে যায়
আর দেখায় সুখ,
সান্তি ও সমৃদ্ধির পথ।”
“বিপদ তোমাকে এড়িয়ে যাক,
বিধাতা তোমায় রক্ষা করুক
সর্গ তোমার অপেক্ষায় থাকুক,
ভালোবাসা তোমায় ছুয়ে যাক
এই বড়দিনে।”
“প্রত্যাশা করি সুন্দর একটি দিনের,
যে দিনটা শুধু তোমার হবে
প্রত্যাশা করি সুন্দর একটি সময়ের,
যেটা তোমার কথাই বলবে।”
“শত্রু তোমার বন্ধু হোক,
বন্ধু যে, সে আরো কাছে আসুক
বিপদে ধৈর্য ধরার শক্তি
যেন প্রভু তোমাকে দেয়,
সব বাধা পিছনে ফেলে
যেন সুন্দর জীবন গড়তে
পারো সেই প্রত্যাশা করি।”
“সুন্দর একটা মাসের নাম ডিসেম্বর
সব মুহূর্ত কাটুক তোমার অনাড়ম্বর
বড়ো দিনের আনন্দে ধুয়ে যাক সব কষ্ট
মধুর হোক তোমার প্রতিটি মুহূর্ত
Happy Merry Christmas

এই বড়দিনটি তােমার জীবনে
নিয়ে আসুক
অনেক অনেক শুভেচ্ছা,
তুমি ও তােমার পরিবার
সদা যেন সুখে থাকো।”









Saturday, November 21, 2020

মৃত নারীদের ধর্ষণ করত ২০ বছরের এই তরুণ..!

 মুন্না ভগত .(২০)

 মামার সঙ্গে সহযোগী হিসেবে মর্গে কাজ করতেন তিনি। কিন্তু জঘন্যতম এক অপরাধের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ—মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করত সে।

সিআইডি কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন স্থান থেকে যেসব লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেওয়া হতো, সেসব লাশের মধ্য থেকে মৃত নারীদের ধর্ষণ করতেন মুন্না।

সিআইডি ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া মুন্না ভগত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম জতন কুমার লালের সহযোগী হিসেবে কাজ করত। দুই-তিন বছর ধরে তিনি মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল। সম্প্রতি এরকম একটি অভিযোগ পেয়ে মুন্নার বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সিআইডি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না মৃত নারীদের ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

সিআইডির এক কর্মকর্তা জানান, মৃত নারীদের ধর্ষণ করা পৃথিবীর জঘন্যতম একটি কাজ। সুস্থ ও স্বাভাবিক কেউ এমন জঘন্যতম কাজ করতে পারে না। গ্রেপ্তার ওই তরুণ মুন্না বিকৃত মানসিকতার। তা না হলে এমন কাজ তার করার কথা নয়।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে দায়িত্বরত ডোম ও মুন্নার মামা জতন কুমার লাল জানান, মুন্না গত দুই/তিন বছর ধরে তার সহযোগী হিসেবে মর্গে কাজ করত। তার বাবার নাম দুলাল ভগত। গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাজারে। সে আরও দুই/তিন জনের সঙ্গে মর্গের পাশে একটি কক্ষেই রাতে থাকত।

তিনি আরও জানান, মুন্নাকে হঠাৎ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তার মোবাইল নম্বরও বন্ধ। এ কারণে তারা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নম্বর- ১২৩৬) দায়ের করেছেন।

বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে ও গোপনে তথ্য সংগ্রহ করলে সিআইডির অনুসন্ধানে ডোম মুন্না ভগত এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণ পায়। বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক গা ঢাকা দেয় মুন্না। সিআইডির কাছে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয় এবং এরই প্রেক্ষিতে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা করে সিআইডি। মামলা নং-৪০। তদন্তকারী কর্মকর্তার নেতৃত্ব্ একটি দল ওই রাতেই ১০টার দিকে তাকে গ্রেফতার করে।




Friday, November 13, 2020

ভাইরাল হওয়া সেই খুকির পাশে তরুণরা..........!

 রাজশাহী শহরের একমাত্র নারী পত্রিকা বিক্রেতা তিনি। ৪০ বছর ধরে পত্রিকা বিক্রি জীবিকা নির্বাহ করছেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ১১ বছর আগের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সকাল ৬টায় ঘুম থেকে উঠে পত্রিকার এজেন্ট ও স্থানীয় পত্রিকার সার্কুলেশন থেকে পত্রিকা নিয়ে বেরিয়ে পড়েন নগরীতে। খুকির হাতের পত্রিকা পড়ে তারা, খুকির জীবনের গল্প পড়া হয়ে ওঠে না। রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে ৪০ বছর ধরে পত্রিকা বিক্রি করেন দিল আফরোজ খুকি। খুকিরও গল্প আছে। সে গল্প জানা হয়ে ওঠে না কারো, খুকির ভাইরাল ভিডিও দেখে অনেকেই কাঁদেন, ফেসবুকে শেয়ার দেন কিংবা জানতে চান খুকির বর্তমান অবস্থা।

খুকির জীবনে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে বিয়ের মাত্র এক মাসের মাথায়। স্বামী মারা যান, বিধবা হন এক মাসের মাথায়। উত্তরাঞ্চলের শহরে বিয়ে হলেও সামাজিক রীতি তো আর সামাজিকতা ভেঙে বেরিয়ে পড়েনি। তবুও সেই শহরে খুকি উঠে দাঁড়ালেন। তবে উঠে দাঁড়ানোর গল্পটা সহজ নয়। নিজ পরিবার থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। একসময় ঠিকানা হয় পথ। এর মাঝে হয়তো অনেক ঘটনা ঘটে গেছে। শোনা যায়, বাবা-মা, ভাই-বোনের অবহেলিত সেই নারী ঘর-বাড়ি ছাড়া রাস্তায় পড়েছিলেন। তবুও ভিক্ষের পথ বেছে নেননি। একদিন রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া মানিব্যাগ উপযুক্ত ব্যক্তিকে ফিরিয়ে দেওয়ার সম্মানি হিসেবে ১৫০ টাকা পান। এই ১৫০ টাকা দিয়ে শুরু করেন নিজের উঠে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা। শুরু করলেন পত্রিকা বিক্রি।

জানা গেছে, কিশোরী বয়সে ৭০ বছরের এক বৃদ্ধের সঙ্গে খুকির বিয়ে হয়েছিল। মাস যেতে না যেতেই স্বামী মারা যান। ১৯৮০ সালে স্বামীর মৃত্যুর পর পরিবার, আত্মীয়-স্বজন তাকে ঘরছাড়া করেন। ভাইদের আপত্তিতে বাবার বাড়িতে তার জায়গা হয়নি। এরপর থেকেই কিছুটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন তিনি।

খবরের কাগজ বিক্রি করে একসময় প্রতিদিন ৩০০ টাকা আয় করতেন। এই আয় থেকে নিজের জন্য ব্যয় করতেন মাত্র ৪০ টাকা। হজে যাওয়ার তীব্র বাসনায় ১০০ টাকা ব্যাংকে জমা করতেন। আর ১৬০ টাকাই ব্যয় করতেন মানুষের সেবামূলক কাজে। এর মধ্যে ১০০ টাকা দিতেন এতিমখানায়, ৫০ টাকা দিতেন মসজিদ-মন্দিরে আর ১০ টাকা দিতেন ফকির-মিসকিনকে।

এতদিনে ব্যাংকে জমা হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা। সেই জমানো অর্থ আর পৈতৃকভাবে পাওয়া কিছু সম্পত্তিই তার জীবনের শেষ সম্বল। যা দিয়ে যেতে চান কোনো স্কুলের নামে। সেই দানের টাকা থেকে গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে বৃত্তি। মৃত্যুর পর তার লাশটা যেন জন্ম শহর কুষ্টিয়ায় দাফন করা হয়, সে ইচ্ছাই তিনি জানিয়েছেন। খুকির সময়টা এখন ভালো কাটছে না। কাটছে নানা দুঃখ-কষ্টে। প্রায় ৪০ বছর ধরে পত্রিকা বিক্রির সঙ্গে জড়িত খুকি।

প্রতিদিন সকালে তার শিরোইল মহল্লার বাসা থেকে বের হয়ে হেঁটে রাজশাহী মহানগরীর রেলগেট মার্কেটে পত্রিকার এজেন্টদের কাছ থেকে পত্রিকা কেনেন। তারপর সেখান থেকে হেঁটে হেঁটে রাজশাহীর রেলস্টেশন, আরডিএ মার্কেট, সাহেববাজার, সাগরপাড়া, শিরোইল বাস টার্মিনাল, আলুপট্টি ও নিউমার্কেট এলাকায় পত্রিকা বিক্রি করেন। এসব স্থানে তার কিছু নিয়মিত গ্রাহক আছে। এ ছাড়াও হেঁটে হেঁটে পত্রিকা বিক্রি করেন, কারো কাছ থেকে বাড়তি পয়সা পেলেও নেন না।

জানা গেছে, কিশোরী বয়সে ৭০ বছরের এক বৃদ্ধের সঙ্গে খুকির বিয়ে হয়েছিল। মাস যেতে না যেতেই স্বামী মারা যান। ১৯৮০ সালে স্বামীর মৃত্যুর পর পরিবার, আত্মীয়-স্বজন তাকে ঘরছাড়া করেন। ভাইদের আপত্তিতে বাবার বাড়িতে তার জায়গা হয়নি। এরপর থেকেই কিছুটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন তিনি।

খবরের কাগজ বিক্রি করে একসময় প্রতিদিন ৩০০ টাকা আয় করতেন। এই আয় থেকে নিজের জন্য ব্যয় করতেন মাত্র ৪০ টাকা। হজে যাওয়ার তীব্র বাসনায় ১০০ টাকা ব্যাংকে জমা করতেন। আর ১৬০ টাকাই ব্যয় করতেন মানুষের সেবামূলক কাজে। এর মধ্যে ১০০ টাকা দিতেন এতিমখানায়, ৫০ টাকা দিতেন মসজিদ-মন্দিরে আর ১০ টাকা দিতেন ফকির-মিসকিনকে।

এতদিনে ব্যাংকে জমা হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা। সেই জমানো অর্থ আর পৈতৃকভাবে পাওয়া কিছু সম্পত্তিই তার জীবনের শেষ সম্বল। যা দিয়ে যেতে চান কোনো স্কুলের নামে। সেই দানের টাকা থেকে গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে বৃত্তি। মৃত্যুর পর তার লাশটা যেন জন্ম শহর কুষ্টিয়ায় দাফন করা হয়, সে ইচ্ছাই তিনি জানিয়েছেন। খুকির সময়টা এখন ভালো কাটছে না। কাটছে নানা দুঃখ-কষ্টে। প্রায় ৪০ বছর ধরে পত্রিকা বিক্রির সঙ্গে জড়িত খুকি।

প্রতিদিন সকালে তার শিরোইল মহল্লার বাসা থেকে বের হয়ে হেঁটে রাজশাহী মহানগরীর রেলগেট মার্কেটে পত্রিকার এজেন্টদের কাছ থেকে পত্রিকা কেনেন। তারপর সেখান থেকে হেঁটে হেঁটে রাজশাহীর রেলস্টেশন, আরডিএ মার্কেট, সাহেববাজার, সাগরপাড়া, শিরোইল বাস টার্মিনাল, আলুপট্টি ও নিউমার্কেট এলাকায় পত্রিকা বিক্রি করেন। এসব স্থানে তার কিছু নিয়মিত গ্রাহক আছে। এ ছাড়াও হেঁটে হেঁটে পত্রিকা বিক্রি করেন, কারো কাছ থেকে বাড়তি পয়সা পেলেও নেন না।

খুকির নানামুখী সমস্যা থাকলেও থাকেন নিজের বাড়িতে। বড় বোনের বাসা খুকির বাড়ির পাশেই। বড় বোনের ছেলে শামস-উর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘খালাকে আমরা পত্রিকা বিক্রি করতে নিষেধ করেছি। তিনি আমাদের কথা শোনেন না। তিনি পত্রিকা বিক্রি করে একা একাই চলতে চান।’

খুকি সম্পর্কে প্রতিবেশীরা বলছেন, তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। নিঃসন্তান নারীর বিয়ে হয় কিশোরী বয়সে। এক মাসের মাথায় স্বামী মারা যায়। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে তিনি একগুয়ে স্বভাবের হয়ে ওঠেন। বাবার কাছ থেকে পাওয়া জমিতে বাড়ি তৈরি করে একাই থাকেন। কারও কাছ থেকে কোনো সহায়তা নেন না। পত্রিকা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

অথচ ১১ বছর আগের ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে খুকির শেষদিকের কথাগুলো ছিল, ‘কেউ আমাকে এক পয়সার হেল্প করেনি। কী হবে এই সাক্ষাৎকার নিয়ে? কেউ তো আমাকে সাহায্য করবে না।’

খুকি যাদের কাছ থেকে পত্রিকা নেন; তাদেরই একজন লিটন ইসলাম বাবু। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, খুকি আপা আমার কাছ থেকে ১৩ বছর ধরে পত্রিকা নেন। কখনোই টাকা বাকি রাখেন না। টাকা-পয়সার বিষয়ে খুকি আপা সচেতন। শোধ করে তারপরে পত্রিকা নেন। তবে খুকির বর্তমান অবস্থা যে শোচনীয়, তা সার্কুলেশন ম্যানেজার বাবুর কথাতেই বোঝা গেল। কেননা আগে ১৫০ কপি পত্রিকা কিনলেও এখন কেনেন ৩০-৪০ কপি। অর্থাৎ খুকির আয়ের উৎস তলানিতে ঠেকেছে, সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীতে খুকির সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন সেচ্ছ্বাসসেবী সংগঠন ‘অরেঞ্জ আর্মি বিডি’র কয়েকজন সদস্য। তারা খুকিকে একটি শীতের চাদর দিয়েছেন। এ ছাড়াও প্রাথমিক সাপোর্ট প্রয়োজন বলে জানান সংগঠনের সদস্য কামরুল তিহান। অরেঞ্জ আর্মি বিডি সংগঠনের পক্ষ থেকে খুকিকে হজে পাঠানো হবেও বলে তাদের পেজে জানানো হয়েছে।




Monday, October 5, 2020

আবাসিক হোটেল থেকে অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে আদিবাসী সাঁওতাল মেয়ে সহ আটক ৬.

 গতকাল দিনাজপুর শহরের জাবেদ ইন্টার্নেশনাল আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালনা করার দায়ে হোটেল ম্যানেজার ও হোটেলবয় সহ দুই জোড়া কপোত-কপোতি কে আটক করে কতোয়ালি থানা পুলিশ। ৪ অক্টোবর রবিবার দুপুরে শহরের বাহাদুর বাজার এলাকার জাবেদ সুপার মার্কেটের ৩য় তলায় জাবেদ ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক হোটেলে ঘন্টাব্যাপি অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালনা করার দায়ে তাদের আটক করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। আটককৃত কপোত-কপোতিরা হলেন- পার্বতীপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর এলাকার মৃত মফেজ কাপুড়িয়ার ছেলে বাচ্চু আলী লিমন (২৭)। একই উপজেলার শিমুল ঝারী এলাকার আলব্রীকুস হাঁসদার মেয়ে লতা হাঁসদা (২০)। জেলার কাহারোল উপজেলার উচিতপুর এলাকার মিজানুর রহমান আশিক (২৮)। একই উপজেলার তানিয়া মহন্ত (১৮)। ও এছাড়া হোটেল ম্যানেজার আব্দুর রহিম রাকিব (৪০)। ও হোটেল বয় ফারুক হোসেন (২৮)। উক্ত ঘটনায় পুলিশ ইন্সপেক্টর মোঃ জিয়াউল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি শহরের বাহাদুর বাজার এলাকার জাবেদ ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে। এ সময় পুলিশের একটি দল আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ২ জোড়া কোপত কোপতি, হোটেল ম্যানেজার ও বয় সহ ৬ জনকে অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে গ্রেফতার করা হয়। এ বিষয়ে হোটেল মালিক মোজাফফর হোসেনের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।



Friday, October 2, 2020

ধর্ষক ফাদারকে পালাতে সহায়তা করে আদিবাসি নেতা.......কামেল মার্ডী.

 আদিবাসি কিশোরীকে আটক রেখে ধর্ষনের তিন দিন পর জানাজানি হয়ে পড়লে নিজে বাচার জন্য প্রথমেই তানোর উপজেলা পারগানা পরিষদের সভাপতি আদিবাসি মি:কামেল মার্ডীকে ডেকে নেন গীর্জার ফাদার প্রদিপ গ্যা গরী।

বিষয়টি ধাপাচাপা দিতে কামেল মার্ডীকে ম্যানেজ করে অতি গোপনে শালিসির বৈঠক করার প্রস্তাব দেন ফাদার। তার প্রস্তাবে সাই দিয়ে শালিসে বসার আয়োজন করেন কামেল মার্ডী।

এবং দ্রতগতিতে লোক দেখানো শালিস করে তরিঘরি করে ফাদার গীর্জা থেকে পাঠানোর ব্যব’া করেন কামেল মার্ডী।

এজন্য সোমবার দুপুর নাগাদ রাজশাহী ধর্ম প্রদেশে থেকে মুন্ডুমালা গীর্জায় আসেন তিন জন প্রতিনিধি,কামেল মার্ডী মিসন পাড়া দুইজন গ্রাম্য প্রধান ডেকে নেন। এবং কিশোরীর পরিবারকে উপ¯ি’ত করেন ফাদারের বাস ভবনে।

শালিসে কামেল মার্ডী ফাদারে সাজানো রায় পড়ে কিশোরীর পরিবার শোনান এবং বোঝান। শালিসি রায়ে বলা হয়,কিশোরী লেখাপড়া ও ভরণ পোষন গীর্জা থেকে বহন করা হবে। এবং সে এখন থেকে গীর্জার সিসটারদের ভবনে সে থাকবে।

এ রায় না মানলে কিশোরীর পরিবারকে ধর্মশালায় আসতে দেওয়া হবেনা। প্রয়োজনে সমাজ থেকে বিতারিত করা হবে বলে ঘোষনা দেন কামেল মার্ডী।

এমন রায় শুণে ভয়ে কিশোরীর রেখেই চলে আসে পরিবার। পরে সোমবার সন্ধায় রাজশাহী ধর্ম প্রদেশের তিনজন প্রতিনিধি সঙ্গে ফাদার প্রদিপকে পাঠিয়ে দেন। এবং তাকে পরিবেশ শান্ত না হওয়া পর্যন্ত রাজশাহী থেকে না আসার কথা বলা হয়। তার কথা মত ফাদার সেই দিনেই সটকে পড়েন।

শালিসে উপস্থিত ছিলেন এমন একজন ও কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা সে দিনে শালিসের ঘটনার বর্ণনা দেন সাংবাদিকদের কাছে। মিশন পাড়ার কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,কামেল মার্ডী আদিবাসি নেতা হলেও তিনি স্বাথ্য কাছে তার নিতি বেচে দিতে দিধা করেনা। সে অর্থ লোভী ফাদারের কাছে মোটা অংকের অর্থ পেয়ে তাকে পালাতে সহযোগিতা করেন। তাকেও আইনের আওতাই আনার দাবি জানান তারা।

তবে,এসব বিষয়ে আদিবাসি নেতা কামেল মার্ডী মঙ্গলবার বিকালে সংবাদ কর্মীদের কাছে বলেন,তিনি শালিসে যা রায় দিয়েছেন তা কিশোরীর কথা চিন্তা করে করেছেন বলে জানান।

তিনি আরো বলেন, নির্যাতিন কিশোরী ভরণ পোষন ও লেখাপড়া খরচ বহন করার তারা প্রতিশ্রতি দিয়েছেন। তাই কিশোরীকে তাদের হেফাজতে রাখা হয়েছিল। কারণ সমাজ বলে একটি কথা আছে। কিশোরীকে তার বাবা মায়ের কাছে দিয়ে সে যদি আত্মহত্যার মত ঘটনা ঘটিয়ে দেন তার দায় কে নিবে।

আর ফাদারের কে পালাতে সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, ফাদার কে পালাতে সহযোতিা করার বিষয়টি পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য করা হয়েছিল।



Thursday, October 1, 2020

কিশোরীকে ধর্ষণের পর বিশপ হাউসে লুকালেন ফাদার !

 রাজশাহীর তানোরে গির্জায় কিশোরীকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বিশপ হাউসে আশ্রয় নিয়েছিলেন অভিযুক্ত ফাদার। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে নগরীর নওদাপাড়া এলাকার বিশপ হাউস থেকে প্রদীপ গ্যাগরী (৫০) নামে ওই ফাদারকে পাকড়াও করেছে র‌্যাব।

এর আগে সন্ধ্যায় উপজেলার মুণ্ডুমালা মাহালীপাড়া এলাকার সাধুজন মেরী ভিয়ান্নী গির্জায় ফাদারের কক্ষ থেকে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার শিকার ওই কিশোরী মুণ্ডুমালা মাহালীপাড়ার বাসিন্দা। গত ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে গির্জার পাশে ঘাস কাটতে গিয়েছিল ওই কিশোরী। তারপর থেকে সে আর বাড়ি ফেরেনি। অনেক খুঁজেও তার সন্ধান পায়নি পরিবার। পরে এনিয়ে থানায় সাধারণ ডায়রি করেন নিখোঁজের ===== বড়ভাই।

এদিকে বিষয়টি জানাজানি হলে প্রভাবশালীদের নিয়ে গির্জায় সালিশ বৈঠক করেন ধর্মীয় নেতারা। সেখানে ওই কিশোরীকেই ঘটনার জন্য দোষারোপ করেন।

পরে তার পরিবারকে সমাজচ্যুত করেন প্রভাবশালীরা। সেখানে ফাদার প্রদীপকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন ধর্মীয় নেতারা।

খবর পেয়ে সন্ধ্যায় তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুশান্ত কুমার মাহাতো গির্জা থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করেন। রাতে ওই কিশোরীর ভাই ফাদারকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা দায়েরের পর ঘটনা ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।

র‌্যাব-৫ এর রাজশাহীর কোম্পানি অধিনায়ক এটিএম মাইনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, গ্রেফতার এড়াতে প্রদীপ গ্যাগরী নওদাপাড়া বিশপ হাউসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। খবর পেয়ে সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এরপর তাকে তানোর থানায় সোপর্দ করা হয়।

তানোর থানার ওসি রাকিবুল হাসান জানান, গ্রেফতার ফাদারকে ওই মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

এছাড়া শারীরিক পরীক্ষার জন্য ওই কিশোরীকে বুধবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। পুলিশ এনিয়ে আইনত ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও জানান ওসি।



Tuesday, September 29, 2020

বাড়ি ফাঁকা পেয়ে বোনকে `ধর্ষণ` করলো চাচাতো ভাই.

 রাজশাহীর তানোরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণি পড়–য়া নাবালিকা বোনকে (১০) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চাচাতো ভাই রাশেদুল ইসলাম সাগর মন্ডলের (২৪) বিরুদ্ধে। গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তানোর পৌরশহরের তানোর দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা সেদিন রাতেই থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত সাগর মন্ডলের বাড়ি উপজেলা সদরের তানোর দক্ষিণ পাড়া এলাকায়। সে ওই এলাকার মঞ্জুর মন্ডলের ছেলে। তানোর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) রাকিবুল ইসলাম থানায় দায়ের করা মামলার বরাত দিয়ে জানান, বুধবার বিকালে মেয়েটির বাড়িতে সে ছাড়া অন্য কেউ ছিল না।

এ সুযোগে মেয়েটিকে ঘরের মধ্যে ডেকে নিয়ে তার আপন চাচাতো ভাই জোর করে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে মেয়েটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন উপস্থিত হলে অভিযুক্ত সাগর পালিয়ে যায়। এরপর তাকে প্রথমে দ্রুত তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, অভিযুক্তকে ২৭ সেপ্টেম্বর রোববার রাত ৭টা পর্যন্ত (এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) গ্রেপ্তার করা যায়নি। পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে পুলিশ অভিযুক্ত সাগরকে দ্রুতই গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে বলে জানান তিনি।



দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছিল .... ফোরকান

  অনলাইনে বিভিন্ন সিক্রেট অ্যাপ ব্যবহার করে বোমা তৈরির প্রশিক্ষণ দিতেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জাহিদ হাসান ওরফে রাজু ওরফে ইসমাঈল ...